বাংলাদেশের মার্কিন দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করতে পারবেন। পড়াশোনা শেষে নতুন জ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা ও বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা আবার দেশে ফিরে আসতে পারবেন। ২০০৭ সাল থেকে এই কার্যক্রমের আওতায় ২৪টি দেশের চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। আর ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ৭৬ শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কলেজে অধ্যয়নের জন্য বৃত্তি পেয়েছেন। অ্যাকাডেমিক, সার্ভিস লার্নিং, ইন্টার্নশিপ, কালচারাল এক্সচেঞ্জ, লিডারশিপ এ অ্যাকশন প্ল্যানিং সম্পর্কে ধারণা মিলবে সিসিআই প্রোগ্রামে।
আরও পড়ুন : জার্মানির যে ১০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে পড়ালেখার সুযোগ
কমিউনিটি কলেজ ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিটি কলেজগুলোয় কৃষি, ফলিত প্রকৌশল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন, প্রাক্-শৈশব শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, গণমাধ্যম, সামাজিক সেবা, স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন।
এই কার্যক্রমে সফল হওয়ার জন্য আবেদনকারীর উচ্চ একাগ্রতার পূর্বপ্রমাণ ও অসাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক ফল থাকতে হবে এবং উচ্চমাধ্যমিক বা এ লেভেল–সম্পন্ন ও আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে কোনো কোর্সে অধ্যয়নরত হতে হবে। অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের নিজ নিজ অধ্যয়ন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সনদ পাবেন এবং নিজ নিজ অধ্যয়ন বিষয়ে শিক্ষানবিশির মাধ্যমে সরাসরি ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। তবে এটি কোনো ডিগ্রি প্রোগ্রাম নয়। শিক্ষার্থীরা কেবল দুই ষাণ্মাসিকের পূর্ণ ক্রেডিট অর্জন করবেন।
পেশাগত প্রশিক্ষণ নেওয়ার বাইরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা জোরদার হবে, ইংরেজি ভাষায় পারদর্শিতা বাড়বে। এ ছাড়া সমাজসেবা, সামাজিক দায়িত্বসহ মার্কিন সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে ধারণা সৃষ্টি হবে। এ কার্যক্রম শেষে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের নিজ নিজ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে নতুন দক্ষতা নিয়ে দেশে ফিরে আসবেন।
সিসিআই কার্যক্রমে যে যে সুবিধা মিলবে—
আবেদনের যোগ্যতা—
আবেদন —
আবেদনপত্র ও আবেদনের নিয়মাবলি এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল চারটার মধ্যে সরাসরি বা কুরিয়ারে পাঠাতে হবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
করনীয়—
পূরণ করা মূল আবেদনপত্রের শেষ পাতায় প্রার্থীকে স্বাক্ষরসহ জমা দিতে হবে। ইংরেজি আবেদনপত্রে দেওয়া সব প্রশ্নের উত্তর দিতে (সুনির্দিষ্ট স্থান ব্যতীত) হবে। কোনো ঘর ফাঁকা রাখা যাবে না। কোনো প্রশ্ন আপনার জন্য প্রযোজ্য না হলে N/A (not applicable) দিন। আন্তর্জাতিক পাসপোর্টে উল্লেখিত বানান অনুযায়ী আইনসম্মত সম্পূর্ণ নাম বা পারিবারিক নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যোগাযোগের পূর্ণ ঠিকানার মধ্যে সব ঠিকানার ডায়ালিং কোড এবং সব ফোন নম্বরের সিটি/কান্ট্রি কোড অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নিজের মুঠোফোন নম্বর দিতে হবে এবং কোনো আত্মীয় বা বন্ধুর মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করা যাবে না। আবেদন কম্পিউটারে টাইপ করতে হবে, শুধু শেষ পাতায় প্রার্থীকে স্বাক্ষর দিতে হবে।
আবেদনকারীর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরপত্র/ও লেভেল এবং এ লেভেলের ট্রান্সক্রিপ্ট/গ্রেড শিট/বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ট্রান্সক্রিপ্ট (সর্বশেষটি) সংযুক্ত করতে হবে। সনদের প্রয়োজন নেই। শিক্ষকের কাছ থেকে নেওয়া ন্যূনতম একটি সুপারিশপত্র সংযুক্ত করতে হবে আবেদনে। এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও আবেদনকারীর পাসপোর্টের তথ্য পাতার ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।