সকাল আটটায় আমরা বরিশালের প্রাণকেন্দ্র রুপাতলী থেকে কার্যক্রম শুরু করি

লেখক:
প্রকাশ: ২ years ago

আমি ভোক্তা অধিকার ও মূল্য নির্ধারণ দলে কাজ করেছি। সকাল আটটায় আমরা বরিশালের প্রাণকেন্দ্র রুপাতলী থেকে কার্যক্রম শুরু করি। ব্যবসায়ীদের সচেতন করার জন্য কাউন্সেলিং করি, বাজারের বিভিন্ন পণ্যের পাইকারি ও খুচরা মূল্য জানতে চাই। জানতে পারি, কেজিপ্রতি আলু ৬০ টাকা, পেঁয়াজ ১১০ টাকা, রসুন ২০০ টাকা, সয়াবিন তেল ১৭২ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা। তা ছাড়া অন্যান্য কাঁচামাল, মাছের দাম একটু বেশিই ছিল। পাইকারি হিসেবে তাঁরা কত টাকায় কিনেছেন, এমন হিসাব অধিকাংশ ব্যবসায়ী দেখাতে পারেননি। তবে বলছিলেন, ‘কেনা দামে বা গড়ে ৫-১০ টাকা লোকসান দিয়ে বিক্রি করছি।’ যদিও তাঁদের কথা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। আমরা তাঁদের সতর্ক করেছি, বুঝিয়েছি। অনেকে আমাদের সাহায্য করেছেন। অনেকে বিরক্ত হয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দাম কমবে। সে জন্য আড়তদার, পাইকারি বিক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খুচরা বিক্রেতারা যদি কম দামে কিনতে পারেন, তাহলে তাঁরা জনগণের কাছে কম দামে বিক্রি করতে পারবেন। ব্যবসায়ীদের জানিয়েছি, আমরা তাঁদের পাশে থাকতে চাই, সাহায্য করতে চাই। এক ব্যবসায়ী মাছ কিনেছেন ৪০০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, তিনি ৭০০ টাকায় বিক্রি করছিলেন। প্রথমে আমাদের সঙ্গে তর্কে জড়ালেও পরে তিনি চুপ হয়ে গিয়েছিলেন। বাজারে নজর রাখার কাজটা কঠিন, কিন্তু আমরা এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই। মানুষকে সচেতন করতে চাই।