অনুষ্ঠানে দেশের শিক্ষা খাতে কীভাবে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব, তা তুলে ধরেন এলজি ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশের হেড অব ইনফরমেশন ডিসপ্লে সলিউশন মোহাম্মদ রবিউল আওয়াল। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের শিক্ষা খাতে প্রায় দুই হাজার ইউনিট ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড সরবরাহ করার লক্ষ্যে কাজ করছে এলজি। নানা রকম সুবিধা–সংবলিত এসব ডিজিটাল বোর্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রচলিত বোর্ডের তুলনায় আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব।
আরও পড়ুন : নিউজিল্যান্ড সরকারের মানাকি বৃত্তি, স্নাতক–স্নাতকোত্তর–পিএইচডির সুযোগ
শিক্ষা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের একসঙ্গে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এলজি ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেরাল্ড সাংহো চুন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।
অতিথিরা বলেন, ডিভিটাল ডিসপ্লের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই উদ্যোগ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহারের নতুন সম্ভাবনা এনে দেবে। প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির চেষ্টায় অবদান রাখায় অনুষ্ঠানে কয়েকজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
আরও উপস্থিত ছিলেন এলজি ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশের হেড অব মিডিয়া সলিউশন আশিকুল ইসলাম, এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের সেলস ডিরেক্টর টনি অ্যাং এবং প্রোডাক্ট ডিরেক্টর জ্যাকি জিয়ং। তাঁরা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রবণতা এবং বাংলাদেশের জন্য তাঁদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।